
কেন আপনার বাথরুম হিটারগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়? (এবং আমরা এটা কীভাবে ঠিক করি)
যদি আপনার বাথরুমের ইনফ্রারেড হিটারটি কাজ করা বন্ধ করে দিয়ে থাকে, তাহলে সম্ভবত আপনি ধরে নিয়েছেন যে হিটিং টিউবটি নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে তা খুব কমই ঘটে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আসল কারণটি হলো ওয়্যারগুলো।
ভাবুন তো—আপনার কাছে উচ্চ-ওয়াটেজের হিটিং ইলেমেন্ট রয়েছে; যা ঘরের ভিতরে তাপ উৎপন্ন করে। ওয়্যারগুলো যেখানে ল্যাম্পের সাথে যুক্ত থাকে, সেখানেই সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে। এটাই হলো সমস্যার মূল কারণ।
তাপ ও আর্দ্রতার বিরুদ্ধে লড়াই
বেশিরভাগ হিটারগুলো সাধারণ গ্লু বা ঢিলেঢালা কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হয়। আর্দ্র বাথরুমে এই ওয়্যারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। হিটারটি চালু হলে খুব গরম হয়ে যায়; তারপর ঠান্ডা হয়ে যায়। এভাবেই বারবার ঘটে।
অবশেষে এই তাপের কারণে ইনসুলেশনগুলো সংকুচিত হয়ে যায় এবং ফাটে যায়। ফলে তামার তারগুলো দৃশ্যমান হয়ে যায়। আর্দ্রতার কারণে স্পার্ক ও শর্ট সার্কিট হয়; ফলে হিটারটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
আমরা ভিন্নভাবে কাজ করি। আমরা মাল্টি-স্টেজ প্রক্রিয়া ব্যবহার করি; যেখানে হেভি-ডিউটি সিলিকন বা এপক্সি ব্যবহৃত হয়। এটা তাপ সহ্য করতে পারে। এর ফলে ওয়্যারগুলো স্থির থাকে; ইনসুলেশনগুলো আর সরে যেতে পারে না।
পার্থক্যটা হলো বুদবুদগুলোতে
অনেক “সস্তা” হিটারে “ডিপ অ্যান্ড ড্রাই” পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এটা দেখতে সিলড মনে হলেও আসলে এর বন্ধনটি দুর্বল।
আমরা ভ্যাকুয়াম-ডিগ্যাসিং পদ্ধতি ব্যবহার করি। এটা শুনতে জটিল মনে হলেও আসলে এর মানে হলো সিল্যান্ট থেকে সব ছোট ছোট বুদবুদগুলো বের করে দেওয়া। কেন? কারণ গরম হলে বুদবুদগুলো ফুলে যায়। যদি সিল্যান্টে বুদবুদ থাকে, তাহলে সেটা ফেটে যাবে এবং ফাটল সৃষ্টি হবে।
বুদবুদবিহীন সিল্যান্ট মানে হলো ওয়্যারগুলো স্থির থাকবে; যতবারই সুইচটি চালু/বন্ধ করা হোক না কেন।
একটি ছোট সমস্যা
তবে এর একটি অসুবিধা আছে। যেহেতু আমাদের সিল্যান্টগুলো খুব শক্ত, তাই ওয়্যারগুলো একটু শক্ত হয়ে যায়।
যদি আপনি এগুলো ইনস্টল করছেন, তাহলে ওয়্যারগুলোকে তীব্র কোণে বাঁকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে সিল্যান্টটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ওয়্যারগুলোকে চেসিসে স্থাপন করার সময় সাবধানে বাঁক দিন।
এটা একটি সাধারণ পদক্ষেপ; কিন্তু এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি সস্তা জিনিস ব্যবহার করেন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই রিফান্ডের জন্য পণ্যটি ফেরত পাঠাতে হবে। কিন্তু যদি সিলিংটি ঠিকমতো করা হয়, তাহলে আপনাকে শুধুমাত্র ল্যাম্পটির স্বাভাবিক জীবনকাল নিয়েই চিন্তা করতে হবে।